Saturday, August 22, 2020

মেজর সিনহা হত্যা : পুলিশের সহায়তায় থানা'র সিসিটিভি হার্ডডিস্ক নিয়ে গেছে চুমকি

সাইদুর রহমান রিমন : এ কয়দিন যারা পাহাড়সম জ্ঞ্যান নিয়েও বুদ্ধিহীনতার দক্ষতায় আমার রিপোর্টকে মিথ্যা প্রমানের ঠিকাদারী নিয়ে মাঠে নেমেছিলেন-আজ তারাও দেখি টেকনাফ থানার সিসিটিভি ফুটেজ গায়েবের ঘটনায় বেশুমার উদ্বিগ্ন হয়ে উঠেছেন। আপনারা তো গলা ফাটিয়ে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে বলেছিলেন, মেজর (অব.) সিনহা ঘটনার দিন ইনানীর নীলিমা রিসোর্ট থেকে বাহারছড়া সংলগ্ন মারিসবুনিয়া পাহাড়ে গেছেন, আর সেখান থেকে ফেরার সময়ই এসআই লিয়াকতের অতর্কিত গুলিতে মারা গেছেন। তাহলে টেকনাফ থানার ফুটেজ খুঁজেন কেন?

হ্যা, মেজর সিনহার হত্যা রহস্য যে থানার সিসিটিভি ফুটেজেই লুকিয়ে আছে সেই বোধটা এতদিনে জাগ্রত হয়েছে? বিশাল বপু টাইপের সাংবাদিক নামধারী কতিপয় মূর্খ দালাল ৩১ জুলাই কী ঘটেছিল তা জানতে রিসোর্টে ঘুমন্ত সিপ্রা দেবনাথের সাক্ষাৎকার প্রকাশ করেন। যমুনার আরেক বাচ্চা গাধা রিসোর্টের আরেক রুমে বেঘোরে ঘুমানো তাহসীনের বক্তব্য নিয়েই বলে উঠে, না, না মেজর ইয়াবা সংক্রান্ত কোনো কাজে গিয়েছিলেন না, তিনি টাইম ল্যাপস এর ভিডিও করতে পাহাড়ে উঠেছিলেন। অন্ধ মনিরুলদের একবারও মনে প্রশ্ন জাগে না যে, মেজরের সঙ্গে সেদিন শুধু সিফাত ছিলেন। ওইদিনের বিষয়ে সিপ্রা-তাহসীন কিছুই জানেন না। অথচ বিডি নিউজ, যমুনা টিভিসহ কয়েকটি মিডিয়ার ভারিক্কি মার্কার সাংবাদিক ‌'অপ্রয়োজনীয় দু'জনের বক্তব্য' প্রকাশ করতে পেরেই কী আনন্দে গদগদ হয়ে উঠলেন? এখন কী একটুও লজ্জা লাগছে না? প্রতিবন্ধী স্টাইলের বুদ্ধি নিয়ে আবার টাইম ল্যাপস ভিডিও কী সেই জ্ঞ্যাণ বিতরণেরও পাঁয়তারা চালালেন? আপনার টাইম ল্যাপস যে প্রকৃত তথ্যসূত্র সিফাত পর্যন্তই যেতে পারে না-এটা কী টের পেয়েছেন? আপনার টাইম ল্যাপস ভিডিও'র শিক্ষা যে ২২ কিলোমিটার দূরের টেকনাফ থানায় মেজরের যাওয়ার কথাটা ভাবতে পর্যন্ত পারে না-তা নিজে নিজেই গুলিয়ে খেয়ে ফেলেন। তাতে পেটটা ভরা থাকলে ফালতু কথা বলতে মন চাইবে না। আপনাদের মার্কারই আরেক গুরু সাংবাদিক তো ইলিয়াস কোবরাতেই ডুবে রইলেন। তার কাছে জাতির মেধাবী দক্ষতাপূর্ণ এক সন্তান মেজর মারা যাওয়াটা কোনো বিষয় না, কিন্তু মেজরের মৃত্যুকালীন ছটফটানিতে কোবরার গায়ে কোনো ধুলা লাগলো কি না-তা পরিস্কার করার কর্মেই নিজেকে উজাড় করে দিলেন!


বুদ্ধিহীন, পাগল-ছাগল নানা কথাই বলতে পারে সেসব শুনলে তো আর আমাদের চলবে না। আমরা রাষ্ট্র ও জাতির প্রতি সুনির্দ্দিষ্ট দায়িত্ব পালনের অঙ্গিকার করেই ক্ষুদে রিপোর্টারের কর্তব্য পালনের চেষ্টা করে থাকি। তাই আগে রাষ্ট্রকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেই-তারপর অন্য কিছু ভাবি। এরপরও জ্ঞ্যান স্বল্পতায় কত শত ভুল করি, সেটা বুঝে নিজে নিজেই লজ্জা পাই, সংশোধিত হবার চেষ্টা করি।


সিসিটিভি ফুটেজ উদ্ধারে গাফিলতি

হার্ড ড্রাইভ নিয়ে গেছে চুমকি
মেজর সিনহার হত্যাকান্ডটি স্পর্শকাতর বিষয় হিসেবে চিহ্নিত হচ্ছে, এ কারণে সরকারের শীর্ষ পর্যায় থেকেও সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে। হত্যা মামলার অগ্রগতি বিষয়েও নিয়মিত খোঁজ খবর নিচ্ছেন। গত ৯ আগস্ট আমার প্রতিবেদনে ফলাও করে তোলা হয়েছে যে, মেজর সিনহা টেকনাফ থানায় গিয়ে ওসি প্রদীপের ইয়াবা সংক্রান্ত সাক্ষাৎকার নিয়েছেন-আর এটাই মেজরের জন্য কাল হয়ে দাঁড়ায়। এ বিষয়ের সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হলে এবং নানা বিতর্ক ছড়িয়ে দেয়ার বিপরীতে আমি চ্যালেঞ্জ দিয়ে বলেছিলাম থানার সিসিটিভি ফুটেজে তা প্রমানিত হবে। তারপরও দায়িত্বশীল কর্তৃপক্ষ থানার সিসিটিভি ফুটেজ সংরক্ষণ বা সংগ্রহ করে নিরাপদে রাখার ব্যবস্থা নিলেন না কেন?


ওসি প্রদীপ এ হত্যাকান্ডের ঘটনায় সাময়িক বরখাস্ত হন, পরে গ্রেফতার হয়ে জেল হাজতে যান। কিন্তু প্রদীপের সব সম্পদের মালিক, অপরাধের দোসর তারই স্ত্রী চুমকি কিন্তু টেকনাফ থানা কম্পাউন্ডে ওসির বাংলোতেই অবস্থান করছিলেন। তার আয়েশের জন্য সরকারি এ বাংলোটির দেয়াল ভেঙ্গে কয়দিন আগেই দামি এয়ারকন্ডিশনার বসানো হয়েছে, আছে পানি ঠান্ডা গরমের মেশিন ব্যবস্থা। ওসি প্রদীপ জেলে থাকলেও চুমকির সার্বক্ষণিক সেবাদানের জন্য এএসআই সুজীত ও কনস্টেবল সাগরসহ চার জন পুলিশ সদস্য তার আশপাশেই ঘুরঘুর করেন। কারো পরামর্শ অনুযায়ী গত ১২ আগস্ট রাতে এএসআই সুজিত ও সাগরের মাধ্যমে থানা সিসিটিভির হার্ডডিস্কটি খুলিয়ে চুমকির লাগেজে ভরা হয় বলে নির্ভরযোগ্য সূত্রটি নিশ্চিত করেছে। পাশাপাশি পরদিন ১৩ আগস্ট বৃহস্পতিবার চুমকি তার সবকিছু গুছিয়ে টেকনাফ থানার বাংলো ছেড়ে তার চট্টগ্রামের বাসায় চলে যান। সঙ্গত কারণেই ১৭ আগস্ট থেকে খোঁজাখুঁজি করে সিসিটিভি'র ফুটেজ সংবলিত হার্ডডিস্কটা আর পাওয়া সম্ভব হচ্ছে না। অথচ সেখানেই রয়েছে হত্যাকান্ডের আসল মোটিভের সচিত্র প্রমাণ।

Sunday, March 29, 2020

সৌদি আরবের একাধিক শহরে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা



করোনা আতঙ্কের মধ্যেই সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদসহ একাধিক শহরে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা হয়েছে। এতে দুই বেসামরিক ব্যক্তি আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে দেশটি।



করোনাভাইরাসের সংক্রমণ থামাতে পুরো দেশে তিন সপ্তাহের কারফিউ জারি করেছে সৌদি সরকার। এরই মধ্যে শনিবার রাতে এসব ক্ষেপণাস্ত্র হামলা হয়। খবর ডনের।

হামলার জন্য ইয়েমেনের হুতিদের দায়ী করে সৌদি সরকার জানিয়েছে, তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সফলভাবে ক্ষেপণাস্ত্রগুলো ধ্বংস করেছে। রিয়াদ ও ইয়েমেন সংলগ্ন শহর লক্ষ্য করে বেশ কয়েকটি ক্ষেপণাস্ত্র হামলা হয়।

এর আগেও হুতি অসংখ্যবার সৌদির অভ্যন্তরে ড্রোন, রকেট ও শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে।

তবে গত সেপ্টেম্বর থেকে এসব হামলা থেকে দূরে ছিল সংগঠনটি। গত বছর সৌদি আরবের তেলক্ষেত্রে ভয়াবহ ড্রোন হামলা চালায় হুতি। এতে দেশটির তেল উৎপাদন অর্ধেকে নেমে এসেছিল। এরপর থেকেই আর বড় কোনো হামলা চালায়নি হুতিরা।

শনিবারের হামলা নিয়ে একটি বিবৃতি প্রকাশ করেছে সৌদি আরবের সরকারি বার্তা সংস্থা সৌদি প্রেস এজেন্সি (এসপিএ)।

এতে বলা হয়, রাজধানী রিয়াদ ও জিজান শহরকে লক্ষ্য করে দুটি ব্যালিস্টিক মিসাইল হামলা হয়েছে। তবে এগুলোকে সফলভাবে ধ্বংস করা হয়েছে। এর ধ্বংসাবশেষ থেকে দুই বেসামরিক নাগরিক আহত হয়েছেন। তবে হুতিদের পক্ষ থেকে এখনো দায় স্বীকার করা হয়নি।

Saturday, March 28, 2020

ছাত্রীকে ধর্ষণ করে শিক্ষক পলাতক



নওগাঁর মান্দা উপজেলার কাশোঁপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক (সমাজ বিজ্ঞান) মো. রেজাউল হকের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন যাবত মেধা বৃদ্ধির প্রলোভন দেখিয়ে যৌন উত্তেজক ও চেতনা নাশক ঔষধ খাইয়ে ওই বিদ্যালয়ের একাধিক ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত শিক্ষক রেজাউল পলাতক রয়েছেন।


এই শিক্ষকের বিরুদ্ধে অতীতেও এই ধরনের একাধিক ঘটনার প্রমাণ পাওয়া গেছে। সরেজমিনে জানা যায়, গত ২৫ মার্চ বুধবার স্কুল ছুটির দিন সকাল ১০ টায় বিদ্যালয়ের ১০ম শ্রেণির এক ছাত্রীকে প্রাইভেট পড়ানোর কথা বলে বিদ্যালয়ে ডেকে নিয়ে আসে। পরে ওই শিক্ষক ছাত্রীকে মেধা বৃদ্ধির কথা বলে যৌন উত্তেজক ওষুধ খাওয়ায়। পরে টিনের একটি শ্রেণি কক্ষে আপত্তিকর অবস্থায় দেখতে পায় বিদ্যালয়ের নতুন ভবনে কাজ করা কিছু শ্রমিকরা। এরপর বিষয়টি জানতে পারে স্থানীয়রা।

বিষয়টি নিয়ে স্থানীদের মাঝে চরম উত্তেজনা দেখা দেওয়ায় ঘটনার ১দিন পর ২৭ মার্চ শুক্রবার স্কুল ম্যানেজিং কমিটির জরুরি সভায় অভিযুক্ত শিক্ষক রেজাউল হককে সাময়িক ভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। এই ঘটনায় ওই শিক্ষক গত শুক্রবার থেকে পলাতক রয়েছে। এতে করে ওই এলাকাবাসীদের মধ্যে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয়দের থেকে জানা যায়, এই শিক্ষকের চরিত্র বলে কিছু নেই। তার বর্তমান স্ত্রীও তার ছাত্রী ছিলো। ধরা পড়ে বিয়ে করেছে। আমরা এলাকাবাসী এই শিক্ষকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।

স্কুল ম্যানেজিং কমিটির সদস্য ও স্থানীয় ইউপি সদস্য আব্দুল কুদ্দুস বলেন, এই ঘটনায় বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটি ও প্রধান শিক্ষক এক জরুরী সভার মাধ্যমে গতকাল শুক্রবার তাকে সাময়িক ভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। শুধু বরখাস্তই নয় এই লম্পট শিক্ষকের আমরা দৃষ্টান্তর মূলক শাস্তি চাই।

এবিষয়ে কাশোপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. মকসেদ আলী প্রামাণিক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, আমি বিষয়টি জানার সাথে সাথে রেজাউল হককে ডেকে এ বিষয়ে ব্যাখ্যা চেয়েছিলাম। রেজাউল তার অপরাধের জন্য ক্ষমা চেয়ে বলেছেন ভবিষ্যতে তিনি এমন কাজ আর করবেন না।

বিদ্যালয়ের সভাপতি আল-মামনুর রশিদ (আলম) বলেন, গত ২৫ তারিখের ঘটনাটি জানার সাথে সাথে আমি প্রধান শিক্ষককে জরুরি মিটিং কল করতে বলেছিলাম। ২৭ তারিখের ওই মিটিংয়ে শিক্ষক রেজাউল হক তার অপরাধ স্বীকার করে নিজে থেকেই পদত্যাগ করেছেন। মিটিংয়ের পরবর্তী দিন শনিবার (২৮ মার্চ) তার পদত্যাগের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

তিনি আরও বলেন, আমি নিজেও ওই বিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলাম। আমার কাছে আগে প্রতিষ্ঠান পরে শিক্ষক। এমন শিক্ষকের জন্য আমি প্রতিষ্ঠান নষ্ট করতে পারিনা।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত শিক্ষক রেজাউল করিম তার পদত্যাগের বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, আমি ওই ছাত্রীর সাথে রুমে শুধু গল্প করেছি এবং বলেছি আজ স্কুল এবং প্রাইভেট ছুটি আছে তুমি স্কুল থেকে চলে যাও। আমি তার সাথে কোন খারাপ কিছু করিনি। এটা একটা চক্রান্ত। অপরাধ না করে থাকলে পদত্যাগ করলেন কেনো, সাংবাদিকের এমন প্রশ্নের তিনি কোন উত্তর দিতে পারেননি।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মো. শাহ আলম শেখ বলেন, এখন পর্যন্ত আমি এবিষয়ে লিখিত ভাবে কোন অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

‘দিদি’ ডাকায় এসিল্যান্ড লাথি দিয়ে দোকানির মাছ ফেলে দিলেন ড্রেনে!



‘দিদি’ ডাকায় লাথি দিয়ে মাছ বিক্রেতার মাছ ড্রেনে ফেলে দিলেন সহকারি কমিশনার (ভূমি)।

ঘটনাটি ঘটেছে গত ১২ মে (রোববার) সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জে।

এসিল্যান্ডের এমন কাণ্ড সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে সারা দেশে সমালোচনার ঝড় বইতে শুরু করে।

সূত্র জানায়, গত রোববার সকাল বেলা এসিল্যান্ড কার্যালয়ের গেটের পাশে বসে মাছ বিক্রি করছিলেন কয়েকজন মাছ বিক্রেতা।

এ সময় গাড়ি নিয়ে অফিসে প্রবেশ করছিলেন সহকারি কমিশনার (ভূমি) সঞ্চিতা কর্মকার।

অফিসের প্রবেশ পথে গাড়ি থামিয়ে দেন সঞ্চিতা কর্মকার। গাড়ির ভেতরে বসেই এক ব্যবসায়ীকে মাছের ঝুড়ি সরাতে বলেন।

এ সময় লায়েক আহমেদ নামের এক মাছ ব্যবসায়ী বলেন, ‌‌দিদি সরিয়ে নিচ্ছি।

আর এ কথা শোনার পরেই ক্ষেপে যান এসিল্যান্ড সঞ্চিতা কর্মকার।

গাড়ি থেকে নেমে বলেন, ‘আমি কিসের দিদি! এর পরই লাথি দিয়ে লায়েক আহমেদ ও তার সঙ্গী হাসান মিয়ার মাছের ঝুড়ি পাশের ড্রেনে ফেলে দেন।

সরকারের উর্ধ্বতন কর্মকর্তার এমন আচরণে লায়েক মিয়াসহ অন্যান্য মাছ ব্যবসায়ীরা হতভম্ব হয়ে যান।

এসিল্যান্ডের এমন আচরণে উপজেলাজুড়ে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে।

স্থানীয় ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, ‘মাছ ব্যবসায়ীরা কেউ এসিল্যান্ড কার্যালয়ের ভেতরে বসে মাছ বিক্রি করছিল না। সেটা করলে তিনি আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে পারতেন। অথচ এভাবে লাথি মারার মতো কাজটি করে তিনি মাছ বিক্রেতাদের রুজি-রুটিতে লাথি মারলেন। এমন বিরূপ আচরণ তার মতো উর্ধ্বতন কর্মকর্তার থেকে একেবারে কাম্য নয়। ’

এ ঘটনায় এসিল্যান্ড সঞ্চিতা কর্মকারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ কর্মসূচির ঘোষণা দেন স্থানীয় ব্যবসায়ীরা।

কিন্তু বিষয়টির কোনো সন্তোষজনক সমাধান না হওয়ায় পরদিন (১৩ মে) উপজেলার সভায় বিষয়টি নিয়ে আলোচিত হয়।

সভায় স্থানীয় সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান কাজি বদরুদ্দোজা বলেন, ‘মাছ বিক্রেতাদের সঙ্গে এসিল্যান্ডের এই দুর্ব্যবহারের বিষয়টি আমি আলোচনায় তুলেছিলাম। তবে এসিল্যান্ডের পক্ষ থেকে মাছ বিক্রেতাদের সান্তনা দিতে কোনো পদক্ষেপ নিতে দেখিনি।’

এদিকে লাথি দিয়ে মাছ বিক্রেতার মাছ ফেলে দেয়া স্বীকার করেছেন সহকারি কমিশনার (ভূমি) সঞ্চিতা কর্মকার।

এ ব্যাপারে তার অভিযোগ, ‘তারা মাছ নিয়ে আমার অফিসের ভেতরে ঢুকে যায়। বারবার নিষেধ করা হলেও তারা মানেন নি। ’

এসব মাছ বিক্রেতার নিয়ে আসা মাছের দুর্গন্ধে অফিসে কাজ করতে কষ্ট হয় বলে জানান তিনি।

এরপর স্থানীয়দের তুমুল সমালোচনার পর সঞ্চিতা কর্মকার বলেন, ‘সেদিন কোনোভাবেই আমি তাদের সরাতে না পেরে বেশ রেগে গিয়েছিলাম। তখনই লাথি দিয়ে মাছ ফেলে দিই। ’

বিষয়টি ঠিক হয়নি জানিয়ে তিনি বলেন, ‘এজন্য আমি তাদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করতে রাজি আছি।

করোনাভাইরাস: কান ধরিয়ে শাস্তি দেয়া সরকারি কর্মকর্তাকে অব্যাহতি দেয়া হল


যশোরের মনিরামপুর উপজেলার সহকারী ভূমি কমিশনার - সাইয়েমা হাসান - যিনি করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব ঠেকাতে জারি করা অবরোধ পরিস্থিতি তদারকি করতে গিয়ে কয়েকজন প্রবীণ ব্যক্তিকে কানে ধরে শাস্তি দেন এবং সেই ছবি তোলেন, এর জেরে আজ তাকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।


যশোরের জেলা প্রশাসক শফিউল আরিফ বিবিসি বাংলাকে এই তথ্য নিশ্চিত করেন।

জেল প্রশাসক বলেন, "তার বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ আসেনি। সোশ্যাল মিডিয়ায় ঐ ঘটনার ছবি ছড়িয়ে পড়ার পর জেলা প্রশাসন উদ্যোগী হয়ে এই বিষয়ে খোঁজখবর নেয় এবং তাকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।"

শফিউল আরিফ জানান যে অভিযুক্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

শুক্রবার সামাজিক মাধ্যমে কয়েকটি ছবি ছড়িয়ে পড়ে যেখানে দেখা যায় যশোরের মনিরামপুর উপজেলার একটি বাজারে আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উপস্থিতিতে এক নারীর সামনে দু'জন বয়স্ক পুরষের কানে ধরে দাঁড়িয়ে আছেন এবং ঐ নারী তাদের ছবি তুলছেন।

পরবর্তীতে ওই নারী মনিরামপুর উপজেলার সহকারী ভূমি কমিশনার, যিনি করোনাভাইরাস প্রাদুর্ভাব ঠেকাতে জারি করা অবরুদ্ধ পরিস্থিতি তদারকি করতে গিয়ে বাজারে থাকা কয়েকজনকে এমন শাস্তি দেন।

এই ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ার পর ঐ সরকারি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সচিব ইউসুফ হারুন জানান তিন'জন প্রবীণ নাগরিকের সাথে অকর্মকর্তাসুলভ আচরণ করার কারণে দায়িত্ব থেকে অব্যহতি দেয়া হয়েছে অভিযুক্ত কর্মকর্তাকে।

"ঐ কর্মকর্তা তিনজন বয়স্ক নাগরিককে মাস্ক না পরে বের হওয়ার কারণে কান ধরে উঠবস করার শাস্তি দেন, যেটি আইনসঙ্গত আচরণ নয়।"

ইউসুফ হারুন বলেন, "আমরা জন প্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ সকল কর্মকর্তাকে বলেছি যেন তারা নাগরিকদের বুঝিয়ে তাদের বাড়িতে পাঠান। কান ধরে উঠবস করার মত শাস্তি দেয়ার অধিকার কোনো কর্মকর্তার নেই এবং এটি সংবিধান সম্মতও নয়।"

এছাড়া মানুষজন প্রয়োজনে ঘর থেকে বের হলে তাদের সাথে এ ধরণের আচরণ করা যৌক্তিক নয় বলে মন্তব্য করেন জনপ্রশাসন সচিব।

তবে বোঝানোর পরও যারা নিয়ম ভঙ্গ করছেন তাদের জন্য সীমিত আকারে মোবাইল কোর্টের শাস্তি প্রযোজ্য হতে পারে বলে জানান ইউসুফ হারুন।

"যাদের কোয়ারেন্টিনে থাকার কথা কিন্তু থাকছেন না, বা যারা অপ্রয়োজনে ঘরের বাইরে বের হচ্ছেন, তাদের ক্ষেত্রে মোবাইল কোর্টের শাস্তি প্রযোজ্য হতে পারে। কিন্তু তা কখনোই কান ধরে উঠবস করানো বা শারীরিক প্রহারের মত শাস্তি হতে পারে না।"

এছাড়া অবরোধ চলাকালে আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরাও রাস্তায় বের হওয়া নাগরিকদের মারধোর করছেন, এমন খবর ও ছবি ছড়িয়ে পড়ে।

যা নিয়ে প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে সমালোচনা তৈরি হয় মানুষের মধ্যে।

এ বিষয়ে কথা বলতে অভিযুক্ত সাইয়েমা হাসানের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও, তাকে পাওয়া যায়নি।

‘সচেতনতার জন্য প্রশাসনকে মাঠে নামানো হয়েছে, জুলুম করার জন্য নয়’



মাস্ক না পরার কারণে বৃদ্ধদের কান ধরানোয় সহকারী কমিশনার ভূমি (এসিল্যান্ড) সাইয়েমা হাসান অন্যায় করেছেন বলে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আনিসুল হক।
এক প্রতিক্রিয়ায় মন্ত্রী বলেন, এসিল্যান্ড সাইয়েমার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয়া উচিত।

শুক্রবার (২৭ মার্চ) ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে মাস্ক না পরার অপরাধে তিন বৃদ্ধের কান ধরিয়ে ওঠবস করান এসিল্যান্ড সাইয়েমা। এই ঘটনার ছবি সাইয়েমা নিজের মোবাইল ক্যামেরায় ধারণ করে ফেসবুকে পোস্ট করেন। এরপরই সমালোচনার ঝড় বইতে থাকে। ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে যশোরের মণিরামপুরের চিনাটোলা বাজারে এ ঘটনা ঘটে।

সমালোচনার মুখেই সাইয়েমা হাসানকে প্রত্যাহার করা হয়েছে আজ শনিবার। এখন তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা করে ব্যবস্থা নেয়া হতে পারে বলে জানিয়েছেন জনপ্রশাসন সচিব।

আইনমন্ত্রী বলেন, ‘আমলারা হচ্ছেন জনগণের সেবক। জনগণ আমলাদের কোনো কাজে যদি মনে কষ্ট পান, তা মেনে নেয়া যায় না।’

তিনি বলেন, ‘করোনার প্রভাব দূর করতে হলে সচেতনতার কোনো বিকল্প নেই। এই সচেতনতার জন্যই পুলিশ, সেনাবাহিনী, প্রশাসনকে মাঠে নামানো হয়েছে। কাউকে জুলুম করার জন্য নয়। করোনা নিয়ে মানুষ আতঙ্কে রয়েছে। এর মধ্যে যদি বাড়তি আতঙ্ক সৃষ্টিতে কেউ ভূমিকা রাখে, সে অন্যয় করছে।’

মন্ত্রী আনিসুল হক বলেন, ‘এসিল্যন্ড সাইয়েমা যা করেছেন, তা অন্যায়। এজন্য তার শাস্তির বিধান রয়েছে। মাস্ক না পরার অপরাধে বৃদ্ধদের কান ধরানোর ঘটনা খুবই অশোভন মনে হয়েছে। তাকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। বিভাগীয় সিদ্ধান্তে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করছি।’

বাধার মুখে বন্ধ আকিজের করোনায় আক্রান্তদের জন্য হাসপাতালের কাজ


কারকরোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসার জন্য রাজধানীর তেজগাঁও শিল্প এলাকায় আকিজ গ্রুপের হাসপাতাল নির্মাণের কাজে বাধা দিয়েছেন স্থানীয় কাউন্সিলর ও কিছু মানুষ। আজ শনিবার বেলা একটার দিকে শ দুয়েক মানুষ এসে কিছুক্ষণ অবস্থান নেন এবং প্রতিবাদ জানান। এ ঘটনার পর হাসপাতাল নির্মাণের কাজ বন্ধ করে দেওয়া হয়।


স্থানীয় লোকজন জানান, শিল্প এলাকার ১৮৪ নম্বর প্লটে নির্মাণাধীন হাসপাতালের লোকজন আসার পর সেখানে আসেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর শফিউল্লাহ শফি।

শফিউল্লাহ শফি তেজগাঁও থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি। তিনি বলেন, ‘এখানে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসার জন্য হাসপাতাল হবে শুনে হাজারখানেক লোক এসেছিল। আমি এসে তাদের শান্ত করি।’

স্থানীয় লোকজনকে তিনিই এখানে নিয়ে এসেছিলেন, এমন অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে শফিউল্লাহ শফি বলেন, ‘এই লোকজন আমার না, তারা স্থানীয় মানুষ।’

এখানে হাসপাতাল করার বিষয়ে শফিউল্লাহর অভিমত জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমি মনে করি, এটা যেহেতু মহল্লা হচ্ছে, তাই এখানে করোনারভাইরাসে আক্রান্তদের হাসপাতাল হওয়া ঠিক হবে না। আমি এটার পক্ষে না।’

ঘটনাস্থলে তেজগাঁও থানার উপপরিদর্শক রুহুল আমিন বলেন, কাউন্সিলর আসার পর বেশ কিছুক্ষণ এখানে স্থানীয় লোকজন ছিলেন। পরে তাঁরা চলে যান। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসার জন্য ঢাকায় ৩০১ শয্যার একটি হাসপাতাল তৈরি করছে দেশের শীর্ষস্থানীয় শিল্পগোষ্ঠী আকিজ গ্রুপ। রাজধানীর তেজগাঁওয়ে আকিজের নিজস্ব দুই বিঘা জমিতে হাসপাতালটি তৈরির কাজ শুরু হয়েছে।

আকিজ আশা করছে, দুই সপ্তাহের মধ্যে হাসপাতালটিতে রোগীদের চিকিৎসা শুরু করা যাবে। এটি তৈরি হচ্ছে তেঁজগাও-গুলশান লিংক রোডের শান্তা টাওয়ারের পেছনে। আকিজ সেখানে বিনা মূল্যে রোগীদের চিকিৎসা দেবে।

এই হাসপাতাল নির্মাণের অন্যতম উদ্যোক্তা গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, হাসপাতাল নির্মাণে বাধার কথা তিনি শুনেছেন। আকিজ গ্রুপের লোকেরা তাঁকে জানিয়েছেন। তিনি বলেন, স্থানীয় কাউন্সিল এটা করাচ্ছেন। তিনি গুজব তৈরি করে লোকজন জড়ো করে এটা করছেন। বলা হচ্ছে, এখান থেকে ভাইরাস ছড়াবে। এখানে তো পরীক্ষা করা হবে। ছড়াবে কীভাবে?

জাফরুল্লাহর অভিযোগ, স্থানীয় কাউন্সিলর টাকাপয়সা নেওয়ার জন্য এটা করছেন। তাঁর প্রশ্ন, এই লোকের এত বড় ধৃষ্টতা হয় কীভাবে! তিনি বলেন, ‘এখন পুলিশ গিয়েছে। আশা করি সব ঠিক হয়ে যাবে।’

জাফরুল্লাহ বলেন, এই হাসপাতাল নির্মাণে আকিজ জমিসহ আরও সহায়তা দিয়েছে।

Friday, March 27, 2020

চীনে নবমুসলিমরা মাসজিদে জায়গা না পেয়ে রাস্তায় খোলা আকাশের নিচেই সালাত আদায় করতেছে….


কিছুদিন আগেও নামাজ আদায় করা নিষিদ্ধ ছিলো, নামাজ আদায় করা আইনত অপরাধ ছিলো রোজা রাখলে এক বছরের জেল হতো আজ সেই চীনের মাসজিদগুলাতে মুসল্লিদের ঢ্ল পরেছে নবমুসলিমরা মাসজিদে জায়গা না পেয়ে রাস্তায় খোলা আকাশের নিচেই সালাত আদায় করছে!

হযরত মুহাম্মদ (স.) বিশ্বের সেরা বিধানদাতা: যুক্তরাজ্যের সুপ্রিমকোর্ট



১৯৩৫ সালে যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিমকোর্ট হযরত মুহাম্মদ (সা.)-কে বিশ্বের সেরা বিধানদাতাদের একজন আখ্যা দেয়। আর সেই মুহম্মদ (স.)-ই একমাত্র ব্যক্তি যার কাছ থেকে অনুপ্রেরণা পান যুক্তরাজ্যের নারী ও সমতাবিষয়ক ছায়ামন্ত্রী নাজ শাহ এমপি।

তিনি বলেছেন, নারী হিসেবে নিজের পায়ে দাঁড়াতে হজরত মুহাম্মদ (স.)-ই আমার অনুপ্রেরণা। আন্তর্জাতিক নারী দিবসের এক আলোচনায় অংশ নিয়ে হাউস অব কমন্সে এ মন্তব্য করেন বলে পাকিস্তানভিত্তিক ইংরেজি দৈনিক দ্য ফ্রন্টিয়ার পোস্ট জানিয়েছে।নাজ শাহ বলেছেন,

একজন ব্রিটিশ মুসলিম নারী হিসেবে নিজের পায়ে দাঁড়াতে যে ব্যক্তি আমাকে সবচেয়ে বেশি অনুপ্রেরণা, উৎসাহ ও ক্ষমতায়ন করেছেন তিনি হলেন হজরত মুহাম্মদ (সা.)। নাজ শাহ ব্রিটিশ লেবার পার্টির একজন রাজনীতিবিদ ও ব্র্যাডফোর্ড ওয়েস্টের সংসদ সদস্য।

হাউস অব কমন্সে নাজ শাহ বলেন, ১৯৩৫ সালে যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিমকোর্ট হযরত মুহাম্মদ (সা.)-কে বিশ্বের সেরা বিধানদাতাদের একজন আখ্যা দেয়। আর সেই মুহম্মদ (স.)-ই একমাত্র ব্যক্তি যার কাছ থেকে আমি অনুপ্রেরণা পেয়েছি।লেবার পার্টির এই এমপি বলেন, মুাহম্মদ (স.) এমন একটা সময় পৃথিবীতে এসেছিলেন,


যখন নারীদের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হতো। তারা ছিলেন শোষিত, বঞ্চিত ও হ;ত্যা;কা;ণ্ডের শিকার। শিশুসন্তান মেয়ে হলে জীবন্ত পুঁতে ফেলা হতো।কিন্তু সময়ের পরিক্রমায় পরবর্তীতে মহানবী (স.) এমন একটি সমাজ উপহার দেন।

যেখানে নারীরা শুধু তাদের বেঁচে থাকার অধিকারই পায়নি সম্পত্তি, বিয়ে, উত্তরাধিকার, ভোট প্রদান, সম্মান, মর্যাদা এবং স্বাধীনতা-সবই পেয়েছে,’ বলেন নাজ শাহ। মুহম্মদ (স.) এর পাশাপাশি ১২ জন নারীকেও কৃতজ্ঞাচিত্তে স্মরণ করেন হাউস অব কমন্সে প্রতিনিধিত্বকারী এই নারী এমপি।

নাজ শাহ বলেন, ইংরেজ লেখক ও দার্শনিক মেরি ওলস্টোনক্র্যাফ্ট, ইংরেজ রাজনীতিবিদ এমেলিন পানখুর্স্ট, অধিকার কর্মী রোজা পার্ক, পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেনজির ভুট্টো, অভিনেত্রী ও উপস্থাপিকা অপরাহ উইনফ্রে-এরাশুধু সমাজে সমতা প্রতিষ্ঠার জন্য লড়াই করেননি; অনুপ্রেরণা ও উৎসাহও দিয়েছন।

এখানেই শেষ নয়, নারীদের পাশাপাশি পুরুষরাও তাদের দেখে অনুপ্রাণিত হচ্ছেন।

Tuesday, March 24, 2020

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে মুক্তি পেলেন বেগম খালেদা জিয়া,



 মুক্তি পেলেন বেগম খালেদা জিয়া, দেয়া হয়েছে যে দুই শর্ত

শর্তসাপেক্ষে বিএনপি'র চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্তি দেয়ার সিদ্ধান্ত ঘোষণা দিয়েছে। মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) একটি সংবাদ সম্মেলনে এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে ছয়মাসের জন্য তার সাজা স্থগিত করার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

দুইটি শর্তে তাকে মুক্তি দেয়া হচ্ছে বলে আইনমন্ত্রী জানিয়েছেন। সেগুলো হলো, এই সময়ে তাঁর ঢাকায় নিজের বাসায় থাকতে হবে এবং তিনি বিদেশে যেতে পারবেন না। তিনি বলেন, "ঢাকাস্থ নিজ বাসায় থেকে চিকিৎসা গ্রহণ করার শর্তে এবং এই সময় বিদেশে গমন না করার শর্তে তাকে মুক্তি দেয়ার জন্য আমি মতামত দিয়েছি। সেই মতামত এখন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পৌঁছে গেছে।"


মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এ ব্যাপারে নির্দেশ দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ হচ্ছে, আইনি প্রক্রিয়ায় এই দুই শর্তসাপেক্ষে তার দণ্ডাদেশ স্থগিত রেখে তাকে মুক্তি দেয়ার জন্য। তিনি বলেন বেগম খালেদা জিয়ার বয়স বিবেচনায়, মানবিক কারণে, সরকার সদয় হয়ে দণ্ডাদেশ স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। যখন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে তাকে মুক্তি দেয়া হবে, তখন থেকে এই ছয়মাস গণনা শুরু হবে। এই ছয়মাস পরে কী হবে, জানতে চাইলে আইনমন্ত্রী বলেন, "আগে তো ছয়মাস যাক, তার পরে দেখা যাবে।"

এখানে বলা হয়নি যে, তিনি হাসপাতালে গিয়ে তাঁর চিকিৎসা নিতে পারবেন না কিন্তু হাসপাতালে ভর্তির ব্যাপারে তার কন্ডিশন অনুযায়ী দেখা যাবে। এর আগে বিদেশে চিকিৎসার জন্য মুক্তি চেয়ে স্বরাষ্ট্র ও আইনমন্ত্রীর কাছে চিঠি দিয়েছিল তাঁর পরিবার।

বেগম জিয়ার বোন সেলিমা ইসলাম বলেছিলেন, তারা চিঠিতে প্যারোলের বিষয়ে সুনির্দিষ্ট করে কিছু লেখেননি। একইসাথে তিনি উল্লেখ করেছেন, এখন তাঁর বোনের জীবন বাঁচাতে চিকিৎসার জন্য প্যারোলে মুক্তি দেয়া হলেও তাদের পরিবারের সদস্যদের কোনো আপত্তি থাকবে না।

তবে পরিবারের অন্য একটি সূত্র এবং সরকারি সূত্রে জানা গেছে, পরিবারের চিঠিতে মানবিক কারণে সরকারের নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে খালেদা জিয়ার মুক্তি চাওয়া হয়েছে। দুই বছরের বেশি সময় ধরে কারাগারে রয়েছেন খালেদা জিয়া। তার মধ্যে গত ১১মাস ধরে তিনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

২০০৮ সালে বিএনপি চেয়ারপার্সনের বিরুদ্ধে জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে মামলা দায়ের হয়। দশ বছর পর ২০১৮ সালের ফেব্রুয়ারীতে মামলার রায়ে তার পাঁচ বছরের কারাদণ্ড হয়। পরে হাইকোর্ট সেই সাজা বাড়িয়ে দশ বছরের কারাদণ্ডের আদেশ দেন।

Sunday, March 22, 2020

মুসলিমরা বুঝেছে যে আল্লাহর মানুষকে বাঁচানোর ক্ষমতা নেই: তসলিমা


ইসলাম ধর্মের অনুসারীরা আল্লাহ-কে সর্বশক্তিমান বলে মনে করেন। যে কোনও সমস্যার সমাধান থাকে পবিত্র ধর্মগ্রন্থ কোরানে। এমনই দাবি করেন সকল মুসলিমেরা। তাঁদের আরও দাবি যে মৃত মানুষও বেঁচে উঠতে পারেন যদি আল্লাহ সহায় থাকেন।

মুসলিমদের এই মনোভাব নিয়ে বিতর্ক কিছু কম নেই। যা নিয়ে কটাক্ষ করেন নাস্তিকেরা। আর ইসলাম নিয়ে বিভিন্ন সময়ে বিরূপ মন্তব্য করে থাকেন বাংলাদেশের নির্বাসিত লেখিকা তসলিমা নাসরিন। সেই ধারা বজায় রেখেই লেখিকা তসলিমা ফের একবার কটাক্ষ করেছেন ইসলামের অনুসারীদের।

বিশ্ব জুড়ে ছড়াচ্ছে করোনা ভাইরাস। এই রোগের প্রকোপে আক্রান্তের সংখ্যাও বাড়ছে লাফিয়ে লাফিয়ে। এই প্রবল প্রতিকূলতার মাঝে ঈশ্বর বা ঈশ্বরদের স্থান থেকে কোনও সুরাহা মিলছে না। অনেক জায়গায় বন্ধ রাখা হয়েছে মসজিদ। নমাজের জন্যেও খোলা হচ্ছে না উপাসনাস্থল। যা নিয়েই কটাক্ষ করেছেন তসলিমা নাসরিন।

রবিবার দুপুরের দিকে লজ্জার লেখিকা টুইট করে লিখেছেন, “মুসলিমদের নমাজের ডাক বা আজানের নিয়মের ক্ষেত্রে বদল আনা হয়েছে। সমবেত জমায়েত হয়ে প্রার্থনা বা নমাজের জন্য আর উপাসকদের নির্দেশ দেওয়া দিচ্ছে না।” সেই সঙ্গে তিনি আরও বলেছেন, “প্রার্থনা করতে আসাআর বদলে এখন মসজিদ থেকে বলা হচ্ছে নিজেদের ঘরে বসেই প্রার্থনা করুন।” এই বদলকেই কটাক্ষ করেছেন দুঃস্ফপবাসের শ্রষ্ঠা। তসলিমা লিখেছেন, “মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষেরা খুব ভালো করেই জানেন যে করোনা ভাইরাস থেকে মানুষকে বাঁচানোর ক্ষমতা আল্লাহ-র নেই।”

বিশ্ব জুড়ে করোনা আতঙ্কের মাঝে সাবধানতা অবলম্বন করা শুরু হয়ে গিয়েছে ধর্মীয় স্থানগুলিতেও। যা নিয়েই ধর্মের ধ্বজাধারীদের আক্রমণ করেছেন তসলিমা। শনিবার দুপুরের দিকে টুইট করে তিনি লেখেন, “আল্লাহর ঘর হচ্ছে কাবা, তা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। মসজিদ্গুলিও বন্ধ। চার্চের পরিষেবাও স্তব্ধ। প্রার্থণার ঘরগুলিতেও আর ভিড় হচ্ছে না।” একই সঙ্গে তিনি আরও লেখেন, “কোনও ঈশ্বর আমাদের সাহায্য করতে আসবে না। বিজ্ঞানীরা সাহায্য করবে। আমরাআ ভ্যাকসিনের জন্য অপেক্ষা করছি।” টুইটে শেষ লাইনে তিনি লিখেছেন, “নাস্তিক হওয়ার জন্য এটাই আদর্শ সময়।”

ধর্ম এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়ের সঙ্গে তসলিমা নাসরিনের বিরোধ নতুন কিছু নয়। যার কারণেই তাঁর জীবনে বারবার এসেছে আক্রমণ। নিজের জন্মভূমি বাংলাদেশ ত্যাগ করতে হয়েছিল ধর্মীয় বিদ্বেষের কারণে। একই কারণে ঠাঁই মেলেনি কলকাতার মাটিতেও। অনেক জটিলতা পার করে এখন তিনি সুইডেনের নাগরিক। ভিসা নিয়ে ভারতের জাতীয় রাজধানী দিল্লিতে থাকেন লজ্জার লেখিকা।

করোনায় মৃতের লাশ রেখেই স্বজনরা পালিয়ে গেলেন!


করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে দেশে আরো একজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে দেশে এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ালো দুইজন। শুক্রবার (২০ মার্চ) রাতে রাজধানীর মিরপুরের ডেল্টা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত দ্বিতীয় ব্যক্তির মৃত্যু হয়। শনিবার সকাল থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ডেল্টা হাসপাতালে একজন মারা গেছেন বলে একটি পোস্ট ভাইরাল হতে থাকে। ওই পোস্টে বলা হয়, মৃত ব্যক্তি ওই হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন ছিলেন। তার মৃত্যুর পর পরই স্বজনরা হাসপাতাল লাশ রেখে পালিয়ে যান। একজন মারা যাওয়ার পর হাসপাতালে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। মৃত‌্যুর পর সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক ও নার্সদের বাধ্যতামূলক ছুটি দিয়েছে ডেল্টা কর্তৃপক্ষ।

পরে শনিবার দুপুরে রাজধানীর মহাখালীর স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে এ তথ্য নিশ্চিত করেন সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (আইইডিসিআর) পরিচালক অধ্যাপক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা। তিনি বলেন, "করোনায় আক্রান্ত হয়ে মিরপুরের ডেল্টা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে একজন মারা গেছেন। তার বয়স আনুমানিক ৭৩ বছর। ওই হাসপাতালে তিনি চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। তিনিও এক প্রবাসীর সংস্পর্শে গিয়ে আক্রান্ত হয়েছিলেন।"

সরকার বলে কথা ছি ছি ধিক তোদের !


ধর্মীও সমাবেশ বন্ধ করা হলেও রাজনৈতিক সেমিনার / সমাবেশ বন্ধ করা হয়নি।
এখানে করোনাভাইরাস প্রতিরোধকারী সরঞ্জাম দেওয়া হচ্ছে নাকি ফটোসেশান হচ্ছে বুঝতে পারিনা।


হাসপাতাল ও ডাক্তারদের প্রতিনিধি কেউ নেই! সব রাজনৈতিক নেতাকর্মী।
এই হচ্ছে সরকারের লোক দেখানো পদক্ষেপ 😥